
যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ট্রান্সন্যাশনাল এডুকেশন (TNE) বা আন্তঃদেশীয় শিক্ষা অংশীদারিত্ব প্রসারের লক্ষ্যে শিক্ষামন্ত্রীর সাথে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে
যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় নতুন দিগন্ত: শিক্ষামন্ত্রীর সাথে ব্রিটিশ প্রতিনিধি দলের মতবিনিময় ঢাকা, [২৭শে এপ্রিল]: বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ‘ট্রান্সন্যাশনাল এডুকেশন’ (TNE) বা আন্তঃদেশীয় শিক্ষা অংশীদারিত্ব জোরদার করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর সাথে এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন এবং বিশ্বমানের শিক্ষা কাঠামোর সাথে দেশীয় শিক্ষার্থীদের সংযোগ ঘটাতে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম, ক্রেডিট ট্রান্সফার এবং গবেষণামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও বৈশ্বিক করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন:
১. মোঃ জাহিদুল ইসলাম – সিইও, ইউকে ম্যানেজমেন্ট কলেজ এবং চেয়ারম্যান, সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (CUST)।
২. ড. রবিন ক্যারি – ডিরেক্টর অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড ইউকে পার্টনারশিপস, ইউনিভার্সিটি অব উলভারহ্যাম্পটন, ইউকে।
৩. ড. ডেভিড অ্যাটকিনসন – ডিরেক্টর অব এডুকেশনাল পার্টনারশিপস, ইউনিভার্সিটি অব উলভারহ্যাম্পটন, ইউকে।
৪. প্রফেসর ড. দেবব্রত চৌধুরী – ক্যান্টারবেরি ক্রাইস্ট চার্চ ইউনিভার্সিটি, ইউকে।
৫. মোহাম্মদ কায়সর আহমেদ এমপি – সদস্য, বাংলাদেশ সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
৬. মেজর জেনারেল ড. মোঃ শাহেদুল ইসলাম (অব.) – ট্রেজারার (মনোনীত), সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (CUST)।
৭. সৈয়দ আল ওয়াহাব তানজীর – ট্রাস্টি, সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (CUST)।
আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ সরকার উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে এই ধরনের অংশীদারিত্ব আমাদের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে।”
ইউকে ম্যানেজমেন্ট কলেজের সিইও এবং সিইউএসটি (CUST)-এর চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা বাংলাদেশে ব্রিটিশ শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা দেশেই ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবে, যা তাদের ক্যারিয়ারকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাবে।”
সভায় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার বিকাশে ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত সহায়তার আশ্বাস দেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন আরও দৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।